যদিও আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় ভালোবাসা বা ভালোবাসা দিবস নিয়ে নয় তারপরেও বলতে হয়,আমরা অনেকেই জানি না যে আমাদের গার্ল ফ্রেন্ড বা বয় ফ্রেন্ড আমাদের আসলে কতটুকু ভালোবাসে কিন্তু এতটুতু তো অন্তত পক্ষে জানি যে সেই শিশু কাল থেকে আজ পর্যন্ত যে ভালোবাসা আমাদের বাবা,মা আমাদের দিয়েছেন তার কাছে এই গার্ল ফ্রেন্ড বা বয় ফ্রেন্ডের ভালোবাসা সাগর পারে শিশির বিন্দুর মতো,তাই আজ এই ১৪-ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের গোলাপটি হোক আমার মায়ের জন্য, গোলাপটি হোক আমার বাবার জন্য । যাই হোক আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় সফটওয়্যার ক্র্যাক, প্যাচ, কীজেন, সিরিয়াল নিয়ে । তো চলুন শুরু করা যাক ….

আমাদের অফিসের আমার কলিগ নিশান ভাই, আমরা সকলেই তাকে ক্র্যাক এক্সপার্ট বলেই ডাকা ডাকি করি কারন আমরা সকলেই ফ্রী সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পছন্দ করি, কিন্তু অনেকেই কিভাবে ক্র্যাক করতে হয় তা জানি না, আর নিশান ভাই তুড়িতেই যে-কোন সফটওয়্যারের ক্র্যাক করে ফেলতে পারে,যাই হোক,আমাদের আজকের বিষয় ক্র্যাক, প্যাচ, কীজেন, সিরিয়াল বৈধ না অবৈধ এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

মরা সকলেই ফ্রী সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পছন্দ করলেও অনেক সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো ফ্রী ব্যবহার করা যায় না, কোম্পানিকে এই সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করার জন্য আপনার টাকা দিতে হয়। প্রায় সকল কাজের জন্য ফ্রী সফটওয়্যার পাওয়া গেলেও প্রফেশনাল বা হাই এন্ড কাজের জন্য পেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। যেমন ধরুন, মোজিলা ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম, ভিএলসি, মিডিয়া প্লেয়ার ক্ল্যাসিক, ৭জিপ ইত্যাদি ফ্রী সফটওয়্যার; অর্থাৎ এগুলো ব্যবহার করার জন্য এর সফটওয়্যার নির্মাতা কোম্পানিকে আপনার কোন টাকা দিতে হয়না। কিন্তু অপরদিকে মাইক্রোসফট অফিস, অ্যাডোব সফটওয়্যার, কোরেল সফটওয়্যার, অটোডেস্ক সফটওয়্যার ইত্যাদি ব্যবহার করার জন্য আপনাকে টাকা প্রদান করতে হয়। আপনি হয়তো ভাবছেন এগুলো চালাতে টাকা লাগে? আমি ৫ বছর ধরে চালিয়ে আসছি, কই কোনো টাকা পয়সা তো লাগে নাই —ঠিক আছে আপনার কথা ও ঠিক আপনি ৫/৬ বর ধরে চালাচ্ছেন কিন্তু কোন কোনো টাকা পয়সা লাগে নাই, কিন্তু আপনি নিশ্চয় সফটওয়্যার গুলোকে বৈধভাবে ব্যবহার করছেন না। আপনি পেইড সফটওয়্যার গুলোকে সফটওয়্যার ক্র্যাক, প্যাচ, কীজেন, সিরিয়াল ইত্যাদির মাধ্যমে অবৈধভাবে ব্যবহার করছেন। আর আজকের আর্টিকেলে আমি এই বিষয় গুলোর উপরই বিস্তারিত আলোচনা করবো।

পেইড সফটওয়্যার?

Paid Software

Paid Software

পেইড সফটওয়্যার, এর নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে এই সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করার জন্য আপনাকে পে করতে হবে, মানে অর্থ বা টাকা প্রদান করতে হবে। দেখুন, কোন সফটওয়্যার তৈরি করা নিশ্চয় সহজ কাজ নয়। সফটওয়্যার ডেভেলপারদের অনেক পরিশ্রম আর লাখো কোডিং করার পরে কোন সফটওয়্যার তৈরি করা সম্ভব হয়। ফটোশপ, প্রিমিয়ার, অফিস ইত্যাদির মতো বড় বড় সফটওয়্যার গুলো একা কোন ডেভেলপারদের দ্বারা তৈরি করা সম্ভবও নয়, এক্ষেত্রে বড় সফটওয়্যার গুলো বানাতে কোন কোম্পানি সেই সফটওয়্যারের উপর ইনভেস্ট করে, ডেভেলপারদের নিয়ে টিম তৈরি করে এবং সকলের হার্ড ওয়ার্কের পর সফটওয়্যার নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়। সফটওয়্যার তৈরি শেষ করার পরে কোম্পানি সেগুলোকে বাজারজাত করে এবং সফটওয়্যার গুলো বিক্রি করে মুনাফা লাভ করে। বলতে পারেন সফটওয়্যার নির্মাণকারী কোম্পানিদের কাছে এটি একটি ব্যবসা।

বেশিরভাগ পেইড সফটওয়্যারের ট্র্যায়াল ভার্সন থাকে এবং সেটা নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য। অর্থাৎ আপনি সফটওয়্যারটি কেনার আগে চালিয়ে দেখতে পারবেন, হয়তো ট্র্যায়াল অবস্থায় কিছু ফিচার অফ থাকতে পারে কিন্তু আপনি চালাতে পারবেন। ট্র্যায়াল ভার্সন ব্যবহার করার পরে আপনাকে সফটওয়্যারটি কিনতে হয় এবং এর মাধ্যমে আপনি আনলিমিটেড বা সফটওয়্যার কোম্পানির টার্ম অনুসারে দেওয়া সময় পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন। কিছু পেইড সফটওয়্যার একবার কিনে নিলে আপনি সেগুলোকে সারাজীবন ব্যবহার করতে পারবেন, আবার কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যারা মাসিক বা বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন আঁকারে লাইসেন্স বিক্রি করে।

পেইড সফটওয়্যার গুলো মূলত মালিকানাধীন কোড দ্বারা আবদ্ধ করা থাকে; অর্থাৎ এই সফটওয়্যারটি মূলত কোন কোড দ্বারা তৈরি করা হয়েছে তা কেউ দেখতে পায় না। আবার ফ্রী সফটওয়্যার গুলোও মালিকানাধীন কোড দ্বারা আবদ্ধ থাকতে পারে, সফটওয়্যারটি হয়তো ফ্রী কিন্তু এর কোড দেখতে পাওয়া যাবে না। পেইড সফটওয়্যার কোড ওপেন সোর্সও হতে পারে, অর্থাৎ সফটওয়্যারটি টাকা দিয়ে কিনতে হবে এবং সাথে আপনি দেখতেও পারবেন এটি কোন কোডে তৈরি করা হয়েছে।

আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, পেইড সফটওয়্যার গুলো যখন একবার কোম্পানি দিয়েই দিচ্ছে “সেটা হোক ট্র্যায়াল ভার্সন” তাহলে আবার সফটওয়্যারটি কিনতে হবে কেন? সফটওয়্যারটি তো আছেই আমার কাছে!” —হ্যাঁ, সফটওয়্যারটি আপনার কাছে থাকলেও, ডেলেলপাররা সফটওয়্যারটিকে এমন রুল দিয়ে রেখেছে যে সেটি আপনার সিস্টেমে ট্র্যায়াল পিরিয়ড পর্যন্ত চলার পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেবে। এরপরে আপনাকে কোম্পানি থেকে কোন লাইসেন্স কী বা সিরিয়াল নাম্বার কিনে ঐ সফটওয়্যারটিতে বসালে সফটওয়্যারটি আবার কাজ করতে আরম্ভ করবে। এখানে উল্লেখ্য যে, সফটওয়্যারটি চালু রাখতে শুধু ঐ কোম্পানি থেকেই লাইসেন্স কী কিনতে হবে, এবং ঐ সফটওয়্যার নির্মাতা কোম্পানিরায় “কী” এর গোপন অ্যালগোরিদম সম্পর্কে জানেন। আবার বর্তমানে অনেক সফটওয়্যার কোম্পানি অনলাইন নির্ভর একটিভেশন সিস্টেম চালু করেছে, এতে কোম্পানি থেকে দেওয়া ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড দ্বারা সফটওয়্যারটিতে লগইন করলে সার্ভার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে “কী” এসে সফটওয়্যারে বসে যাবে এবং কাজ করতে আরম্ভ হয়ে যাবে।

কিছু প্রয়োজনীয় আর্টিকেল:

ক্লাউড কম্পিউটিং কি? ক্লাউড কম্পিউটিং এর …

কখনও ভেবেছে কেন আপনার ফোনটি এত গরম হচ্ছে ?

জেনে নিন কি প্রসেসর/চিপসেট যুক্ত স্মার্টফ…

সফটওয়্যার ক্র্যাক

আমরা যে পেইড সফটওয়্যার গুলোকে তার প্রস্তুতকারী কোম্পানিকে টাকা না দিয়ে ব্যবহার করি সেটা ঐ সফটওয়্যারের ক্র্যাক ভার্সন। কোন ক্র্যাকার কোন পেইড সফটওয়্যারের ফুল একটিভেশন সিস্টেমকে বাইপাস করে দেয় ফলে সফটওয়্যারটি আর একটিভ করারই প্রয়োজন পড়ে না, সফটওয়্যারটি সারাজীবন ট্র্যায়াল ভার্সনেই থেকে যায় এবং কাজ করতে থাকে। ট্র্যায়াল ভার্সনে যদি কোন ফিচার লক করা থাকে, ক্র্যাকার সেই ফিচারকে আনলক করে দেয় এবং ফুল ভার্সন করে দেয়। আর ক্র্যাকার দ্বারা মডিফাই করা সফটওয়্যারটি যখন আপনি ব্যবহার করেন, এটাই হলো মূল ভার্সনের ক্র্যাক ভার্সন।

কোন সফটওয়্যার যেমন ক্র্যাক করা অবৈধ, ঠিক তেমনি ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করাও অবৈধ, এই সকল বিষয় গুলো পাইরেসির দিকে ইশারা করে। ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করলে সফটওয়্যার কোম্পানিদের সাথে ধোঁকা দেওয়া হয় এবং তারা অনেক লসের শিকার হয়। কথাটি শুনতে খারাপ লাগলেও সত্য, আমাদের দেশের বেশিরভাগ ইউজারই ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করেন। আর করবেও কি বলুন, যেখানে এতো কষ্ট করে কোন মতে আমরা একটি কম্পিউটার কিনতে পাই সেখানে এতো টাকা খরচ করে কীভাবে সফটওয়্যার কিনবো? শুধু পার্সোনাল ইউজাররা নয়, বরং প্রফেশনালরাও ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করেন, আর আমি এর একদমই সমর্থন করি  না। আপনারা যারা ছাত্র রয়েছেন, যারা শেখার কাজে ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন, যদিও এটি অবৈধ, তারপরেও আমাদের দেশের দৃষ্টি থেকে একদিকে ঠিক আছে। কিন্তু যারা বিজনেস করেন, স্টুডিও চালান,  প্রফেশনাল ভিডিও এডিট বা ফটোগ্রাফির কাজ করেন তাদের ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিৎ নয়, যেহেতু তারা তাদের কাজ থেকে মুনাফা পাচ্ছেন, তাই তাদের কর্তব্য সফটওয়্যার কোম্পানিদের সাহায্য করা।

পেইড সফটওয়্যার গুলোর সোর্স কোড কিন্তু লক করা থাকে বা পাবলিশ করা হয় না, তাহলে প্রশ্ন ক্র্যাকার কীভাবে এই কোড গুলো পড়ে সফটওয়্যার বাইপাস করে? দেখুন তারা সফটওয়্যারটি বিভিন্নভাবে চেক করে এবং সফটওয়্যারটিতে দুর্বলতা খোঁজার চেষ্টা করে। দুর্বলতা পেয়ে গেলে সেখানে নিজেদের তৈরি করা স্ক্রিপ্ট ইঞ্জেক্ট করিয়ে সফটওয়্যারটিকে ক্র্যাক করে ফেলে। তবে প্রত্যেকটি সফটওয়্যার কিন্তু একই নিয়মে ক্র্যাক হয়না। হতে পারে কোন সফটওয়্যার কোম্পানিতে কাজ করা চাকুরিজীবী ঐ সফটওয়্যারের সোর্স কোড ক্র্যাকারের কাছে লিক করে। এরকমটা করার কারণ হচ্ছে, বিশেষ করে উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য সফটওয়্যার পাইরেসি মার্কেটের অনেক চাহিদা। যারা সফটওয়্যার পাইরেসি করে, তারা কোটিকোটি টাকা কামিয়ে ফেলে। আপনি হয়তো ভাবছেন, আমি তো বাজার থেকে সফটওয়্যার ডিভিডি কিনে এনে সফটওয়্যার ইউজ করি” —দেখুন বাজার থেকে ৩০টাকা দিয়ে আপনি যে ডিভিডি কিনে আনেন সে টাকা সফটওয়্যার কোম্পানির কাছে নয় বরং ক্র্যাকারের কাছে বা যারা পাইরেসি করে তাদের কাছে যায়। আর অরিজিনাল মার্কেটে ৩০/৪০ টাকার কোন সফটওয়্যার নেই, জেনুইন সফটওয়্যার ব্যবহার করার জন্য কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

হতে পারে আপনার কম্পিউটারে যে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন সেটিও ক্র্যাক ভার্সন, তবে আপনি জেনুইন ভার্সনও ব্যবহার করতে পারেন, এক্ষেত্রে আমি বেশিরভাগ ইউজারদের কথা বলেছি। হ্যাঁ, উইন্ডোজ একটি পেইড অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি কিনে ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু ক্র্যাকাররা এর একটিভেশন সিস্টেমকে বাইপাস করে দেয় ফলে কোম্পানি থেকে কোন সিরিয়াল নাম্বার প্রবেশ করানোর প্রয়োজনীয়তায় থাকে না। বর্তমানে সফটওয়্যার কোম্পানিরা অনলাইন ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু করেছে যাতে সফটওয়্যার একটিভ করার আগে কোম্পানির সার্ভার থেকে ভেরিফাই করা যায়। এক্ষেত্রে ক্র্যাকাররা আরো এক ধাপ এগিয়ে, ক্র্যাকাররা ঐ সফটওয়্যারের অনলাইন সিস্টেমকেই ব্লক করে দেয়, ঐ সফটওয়্যারটি আর সার্ভারের সাথে কানেক্ট হতেই পারে না, ফলে সফটওয়্যারটির আর ফ্রী চলা ছাড়া কোন উপায় থাকে না।

সফটওয়্যার প্যাচ এবং কীজেন

শুধু ক্র্যাকাররা নয়, সফটওয়্যার কোম্পানি থেকেও কোন সফটওয়্যারকে প্যাচ করা হতে পারে। তবে অবশ্যই দুই জায়গার উদ্দেশ্য আলাদা। কোম্পানিরা সফটওয়্যারটিকে প্যাচ করে এতে নতুন ফিচার যুক্ত করার জন্য কোন সমস্যা থাকলে সেগুলো ফিক্স করার জন্য এবং সিকিউরিটি আরো বাড়ানোর জন্য। আর ক্র্যাকাররা সফটওয়্যার প্যাচ করে সফটওয়্যারটি ক্র্যাক করার জন্য, এর একটিভেশন প্রসেসকে বাইপাস করার জন্য। প্যাচ হলো, বলতে পারেন এটি সফটওয়্যারের মধ্যে আরেকটি সফটওয়্যার যেটা ঐ সফটওয়্যারকে মডিফাই করার ক্ষমতা রাখে। এখন কোম্পানি প্যাচ সিস্টেম রাখে সফটওয়্যারকে আপডেট রাখার জন্য কিন্তু ক্র্যাকার ঐ পথেই সফটওয়্যারের সর্বনাশ করে। ধরুন একটি সফটওয়্যার একটিভেশনের জন্য তার কোম্পানির সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করে, এখন ক্র্যাকার ঐ সফটওয়্যারটিতে এমন একটি প্যাচ আপডেট দিয়ে দেবে যাতে আর ঐ সফটওয়্যারটি সার্ভারের সাথে যোগাযোগ না করে, এবং যোগাযোগ না করেই একটিভ হয়ে যায়।

আরো কিছু প্রয়োজনীয় আর্টিকেল:

অল্প কথায় হ্যাকিং-এর গল্প । সাইবার দুনিয়…

নিরাপত্তা বাড়াতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈর…

বিটকয়েন কি, কেন, কিভাবে? জেনে নিন বিটকয়েন…

কীজেন কে কী জেনারেটর ও বলা হয়। যখন আপনি কোন পেইড সফটওয়্যার টাকা দিয়ে কেনেন, ঐ সফটওয়্যার কোম্পানি আপনাকে একটি কী সরবরাহ করে বা একটি সিরিয়াল নাম্বার সরবরাহ করে। এক্ষেত্রে আপনি যেকোনো সিরিয়াল নাম্বার প্রবেশ করালে কিন্তু সফটওয়্যারটি কাজ করবে না। সফটওয়্যারটিতে একটি বিশেষ অ্যালগোরিদম থাকে যেটার রহস্য শুধু ঐ কোম্পানির কাছে থাকে। এখন ক্র্যাকার ঐ অ্যালগোরিদমের রহস্য বেড় করে ফেলে এবং একটি ছোট্ট সফটওয়্যার তৈরি করে যেটা কোম্পানির মতো করেই সিরিয়াল নাম্বার জেনারেট করতে পারে। আর একই অ্যালগোরিদমের উপর নাম্বার জেনারেট করলে অবশ্যই সফটওয়্যারটি কাজ করবে। আগে শুধু সিরিয়াল নাম্বার থাকলেই কাজ হতো কোন ক্র্যাক করার দরকার পড়তো না। ধরুন আমি একটি সফটওয়্যারের সিরিয়াল নাম্বার কিনলাম, তো নাম্বার তো আমার কাছে থেকেই গেলো, সেটা আমি আপনাকে শেয়ার করলাম আর আপনিও সফটওয়্যার একটিভ করে ফেললেন। কিন্তু বর্তমানে বেশিরভাগ সফটওয়্যারের সিরিয়াল শুধু একটি ইউজারের ক্ষেত্রেই কাজ করে। তাই আলাদা ইউজারদের একটিভ করার জন্য এমন সিস্টেমের প্রয়োজন হয় যেটা র‍্যান্ডমভাবে সিরিয়াল নাম্বার জেনারেট করতে পারে। আর এই কাজেই কীজেনকে ব্যবহার করা হয়।

শেষ কথা

আজকের আর্টিকেলে আমি শুধু বোঝাবার চেষ্টা করলাম কীভাবে সফটওয়্যার ক্র্যাক, প্যাচ করা হয় এবং কীভাবে কীজেন কাজ করে। ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করার অপকারিতা সম্পর্কে আমি আরেকটি আর্টিকেলে আলোচনা করবো। আমি আপনাকে কখনোই ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করতে উৎসাহিত করবো না, তবে একজন ইউজার হিসেবে আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। তবে ক্র্যাক সফটওয়্যার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখুন সেটা যেন কোন বিশ্বস্ত সোর্স থেকে হয়। কেনোনা ক্র্যাক সফটওয়্যারের মাধ্যমেই ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে পড়ে।

0 Comments

Leave a reply

CONTACT US

We're not around right now. But you can send us an email and we'll get back to you, asap.

Sending
©2012 - 2020 Techwave.Asia All Rights Reserved.
or

Log in with your credentials

Forgot your details?