নিশ্চয় মাইক্রোসফট হলো-লেন্স এর কথা আপনারা সবাই শুনেছেন । কিন্তু এই হলো-লেন্স কি, এটি কীভাবে কাজ করে, এবং এর বিশেষ ফিচার গুলো কি কি তা অনেকেরই অজানা তাই আমার আজকের পোষ্ট হলো-লেন্স কি, এটি কীভাবে কাজ তা  নিয়ে বিশদ আলোচনা সাথে থাকবে নতুন প্রযুক্তি টেলিপোর্টেশন বা হলোপোর্টেশন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা।

হলো-লেন্স

হলো-লেন্স ব্যবহার করে ক্লাইন্ট কে প্রজেক্ট দেখানো হচ্ছে

মাইক্রোসফট হলো-লেন্স একটি অগমেনটেড রিয়্যালিটি হেডসেট। আপনি যদি অগমেনটেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি সম্পর্কে না জেনে থাকেন, তবে এই বিষয়ের উপর বিস্তারিত লেখা আমার আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। অগমেনটেড রিয়্যালিটিতে মূলত আপনি যেখানে থাকেন, ঠিক সেখানে থাকা অবস্থায় আপনার চারপাশে নতুন নতুন বস্তু তৈরি করতে পারেন। হলো-লেন্স এই একই নীতিতে কাজ করে, এবং এর ভেতর আপনি আরো উন্নত ফিচার সমৃদ্ধ প্রযুক্তি দেখতে পাবেন। যা একটি সাধারন ভার্চুয়াল ডিভাইজ বা গুগল গ্লাস এর মতো অগমেনটেড রিয়্যালিটি হেডসেট এ দেখতে পাওয়া যায় না। এটি অনেক উন্নত একটি যন্ত্র। তবে এটির দাম অনেকটাই বেশি ৩,০০০ ডলার। এবং এখনো পর্যন্ত এই ডিভাইজ সবার জন্য প্রাপ্য নয়। কেবল মাত্র এটি যারা প্রি-অডার করেছিলেন বা যারা অনেক বড় টেক রিভিউয়ার বা মাইক্রোসফট যাদের দিতে চায় তারাই এই ডিভাইজটি নিতে পারবেন বা পেরেছেন। কমার্শিয়াল ভাবে হয়তো কিছু দিনের ভেতরই এই ডিভাইজটি সকলের জন্য প্রাপ্য হবে, এবং তখন এর দাম কিছুটা কমতে পারে, কিন্তু তারপরেও এটি দামী একটি ডিভাইজ। কেনোনা এর ফিচার গুলো এতোটাই ইউনিক যে, বেশি দাম হওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপার।

ডিভাইজটি দেখতে একটি হেড বান্ড এর মতো, যেটি মাথার সাথে পরিধান করতে হয়। এটির দুইটি চোখের জন্য অনেক হাই-রেজুলেসন ডিসপ্লে আছে, যার মাধ্যমে আপনি নতুন নতুন বস্তু দেখতে পাবেন। তাছাড়াও এর ভেতর অনেক ক্যামেরা, অনেক প্রকারের সেন্সর, একটি পুরো সেন্সর ইউনিট এবং হাই-ডেফিনিশন সাউন্ড প্রদান করার জন্য স্পিকার আছে। তো এতো ছিল এর যন্ত্রাংশের বর্ণনা। এবার জেনে নেওয়া যাক যে, এই ডিভাইজটি বা অগমেনটেড রিয়্যালিটি ডিভাইজ কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে।

হলো-লেন্স কীভাবে কাজ করে?

হলো-লেন্স ব্যবহার করে স্কাইপ করা হচ্ছে

মনে করুন আপনি একটি রুমে দাঁড়িয়ে আছেন। এবং রুমের চারপাশে টিভি, সোফা সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র আছে। এখন এই পরিবেশে আপনি যদি একটি অগমেনটেড রিয়্যালিটি হেডসেট পরিধান করে নেন তবে প্রথমে ডিভাইজটি তার ক্যামেরা ব্যবহার করে আপনার চারপাশের পুরো পরিবেশের একটি থ্রিডি ইমেজ তৈরি করে ফেলবে। এখন মনে করুন দেওয়ালের এক পাশে আপনি আরেকটি টিভি লাগিয়ে দেখতে চান, তবে একটি টিভি ড্রাগ করে যখন দেওয়ালে ড্রপ করে দেবেন তখন সেই দেওয়াল থেকেই আপনার ভিডিও স্টার্ট হয়ে যাবে। আপনি দেওয়ালের সাথে একটি বাস্তবিক টিভি দেখতে পাবেন, যদিও সেটি একটি থ্রিডি ইমেজ। ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি ডিভাইজ এর ক্ষেত্রে আপনি যখন একটি ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি হেডসেট পরিধান করে নেন তখন তার মাধ্যমে আপনি আরেকটি নতুন দুনিয়াই চলে যান। কিন্তু অগমেনটেড রিয়্যালিটিতে আপনি আপনার বাস্তব পরিবেশেই অনেক অবাস্তব জিনিসের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করতে পারবেন। এটি ব্যবহার করে আপনি যখন কোন গেমস খেলবেন তখন হয়তো আপনার দেওয়াল ভেদ করে কোন গেম ক্যারেক্টার বেরিয়ে আসতে পারে। এবং আপনার কাছে সব কিছু বাস্তব এবং মনে হবে যে আপনার ঘরেই সব কিছু ঘটছে।

এতো হলো ফান এর বিষয় যে আপনি হলো-লেন্স ব্যবহার করে অগমেনটেড রিয়্যালিটিতে বিভিন্ন গেমস খেলতে পারছেন। কিন্তু এর সবচেয়ে বিশেষ ব্যাপার হলো আপনি যদি এই ডিভাইজটি কোন শিক্ষার বা গবেষণার কাজে ব্যবহার করেন, তবে অনেক আশ্চর্য জনক ফলাফল পাবেন আপনি। উদাহরণ স্বরূপ মনে করুন আপনি একজন ইঞ্জিনিয়ার ছাত্র, এবং একটি ইঞ্জিনকে স্টাডি করতে চাচ্ছেন। তবে আপনি হলো-লেন্স এর সাহায্যে সেই ইঞ্জিনকে দেখতে পাবেন, শুধু এটা নয় যে আপনি একপাস থেকে দেখতে পাচ্ছেন। বরং ইঞ্জিনটিকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এবং সকল অ্যাঙ্গেল থেকে দেখতে পাবেন এবং স্টাডি করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি যদি একজন মেডিক্যাল ছাত্র হয়ে থাকেন তবে আপনি হিউম্যান অর্গান গুলোকে লাইভ ফিল করতে পারবেন এবং বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ঝুঁকে গিয়ে দেখতে পারবেন। এবং আপনার সবসময় মনে হবে যে বস্তু গুলো একদম আপনার সামনেই আছে, এবং এটি অনেক ইউনিক ভাবে কাজ করবে। তো এই ধরনের কিছু অধিক উন্নত ফিচার হলো-লেন্স এর মাধ্যমে দেখতে পাওয়া যায়। যদিও এই ডিভাইজটির মধ্যে অনেক কমতিও রয়েছে। আর কমতি থাকাটাও স্বাভাবিক, কেনোনা এটি একটি প্রথম প্রজন্মের অগমেনটেড রিয়্যালিটি ডিভাইজ। এবং প্রত্যেকটি প্রথম প্রজন্মের ডিভাইজেই অনেক কমতি থাকে। এবং অবশ্যই সামনের প্রজন্মের ডিভাইজ গুলো অনেক ভালো হবে এবং অধিক উন্নত হবে। তারপরেও একটি প্রথম জেনারেশন প্রোডাক্ট হিসেবে হলো-লেন্স যতোটুকু দিচ্ছে আপনাকে তা অগমেনটেড রিয়্যালিটির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে অনেক কিছু।

তাছাড়াও এতে আপনি ফুল উইন্ডোজ ১০ ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন। এর মাধ্যমে আপনি স্কাইপ কল করতে পারবেন, আপনি আলাদা আলাদা অ্যাপস ইউজ করতে পারবেন, আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন। তো এটা শুধু এমন জিনিস নয় যে, ব্যাস একটি হেডসেট চোখে লাগালেন এবং এর মাধ্যমে কিছু ভিডিও দেখতে পারবেন! আসলে এই ডিভাইজটি এ থেকেও অনেক অনেক গুন বেশি কিছু। এবং এজন্য এর দামও সাধারন ভাবে অনেক বেশি। এর ব্যাটারি লাইফ মোটামুটি ৩-৫ ঘণ্টার মতো। আর সবচেয়ে সুবিধার বিষয় হলো এতে কোন তাঁর এর ঝামেলা নেই, বা কোন ডিভাইজের সাথে একে কানেক্টও করতে হবে না। এটি নিজেই সম্পূর্ণ একটি ডিভাইজ, এর ভেতর ক্যামেরা, ব্যাটারি, সেন্সর ইত্যাদি সবই আছে। আপনাকে ব্যাস চোখে পড়ে নিতে হবে এবং আপনি কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়ায় অগমেনটেড রিয়্যালিটিতে প্রবেশ করতে পারবেন। অগমেনটেড রিয়্যালিটির দুনিয়ায় হলো-লেন্স একদমই সর্বাধুনিক একটি ডিভাইজ, কেনোনা এর আগে গুগল গ্লাস যেটি ছিল এর ভেতর তেমন উন্নত কোন ফিচার দেখা যাই নি।

টেলিপোর্টেশন বা হলোপোর্টেশন

এই ডিভাইজটিতে আরেকটি বিশেষ ইউনিক ফিচার রয়েছে যেটির নাম টেলিপোর্টেশন, মাইক্রোসফট এটির নাম দিয়েছে হলোপোর্টেশন। এটি একটি প্রচণ্ড উন্নত ফিচার। এই ফিচারটিকে যদি সঠিক ভাবে উন্নতি করণ করা সম্ভব হয় তবে জেনে নিন আমরা যে মিটিংস করি, বিভিন্ন স্থানে লেকচার প্রদান করি, কনফারেন্স করি তা একদম পরিবর্তন হয়ে যাবে। চলুন এই বিশেষ ফিচারটির সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা শুরু করা যাক!

               হলোপোর্টেশন এর মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপন করা হচ্ছে । বুঝতে অশুবিধা হলে ভিডিওটি দেখে নিন ।

বিজ্ঞান আজ এতোটাই উন্নতির শেখরে পৌঁছে গেছে যে, এখন মানুষ এক সাথে একই সময়ে একাধিক জায়গায় উপস্থিত হতে পারে।  কল্পনা মনে হলেও কথাটা একেবারেই সত্য,টেলিপোর্টেশন বা হলোপোর্টেশন এর মাধ্যমে এখন এসবই সম্ভব। এটি এমন একটি ইউনিক ফিচার যার মাধ্যমে মানুষ একসাথে একই সময়ে একের অধিক স্থানে উপস্থিত থাকতে পারে। এই টেলিপোর্টেশন মাইক্রোসফট হলো-লেন্স এর একটি ইউনিক ফিচার। মনে করুন আমি বর্তমানে আমার ঘরে দাঁড়িয়ে কথা বলছি, এবং এই সময়ের মধ্যে আমি যদি আপনার সামনেও একই ভাবে উপস্থিত হয়ে কথা বলি তবে চিন্তা করে দেখুন এটি কতটা আশ্চর্যের একটি বিষয় হবে। এতো দিন এসকল জিনিস শুধু আমরা আমাদের কল্পনাতে এবং হলিউড মুভিতে দেখে এসেছি। কিন্তু বর্তমানে মাইক্রোসফট তা বাস্তবে পরিনত করার সুযোগ প্রদান করেছে। যদিও এই ফিচারটি এখনো পরীক্ষারত অবস্থায় রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই ফিচারটি কীভাবে কাজ করে তার সম্পর্কে।

দেখুন আপনি যে ক্যারেক্টারটির মূলত হলোগ্রাম দেখতে চান সেই ক্যারেক্টারটির চারপাশে বিভিন্ন উচ্চতার ক্যামেরা লাগানো থাকে। এবং ক্যামেরা গুলো বিভিন্ন অ্যাঙ্গেলে থাকে। ক্যামেরা গুলো ক্যারেক্টারটিকে সকলদিক থেকে ক্যাপচার করবে এবং ক্যারেক্টারটির একদম রিয়াল সাইজের উপর থ্রিডি ইমেজ তৈরি করবে। যেমন ক্যারেক্টারটি কতখানি লম্বা, কতটা মোটা ইত্যাদি। এখন যেখানে হলোপোর্টেশন দেখানো হবে সেখানকার পরিবেশ এবং ক্যাপচার করার সময়কার ক্যারেক্টারের চারপাশের পরিবেশ যদি একই হয়, তবে একদম আশ্চর্য কিছু হয়ে যাবে। মনে করুন আমার সামনে একটি টেবিল আছে পেছনে একটি টিভি আছে এবং পাশে একটি বড় ফুলদানি আছে। এখন যে ক্যারেক্টারটির সাথে আমি সম্পর্ক স্থাপন করবো তার সামনেও যদি একটি টেবিল, পেছনে একটি টিভি এবং পাশে একটি বড় ফুলদানি থাকে তবে আমি হলো-লেন্স পড়ার পরে যখন টেলিপোর্টেশন শুরু হয়ে যাবে তখন আমার মনে হবে যে সেই ক্যারেক্টারটি বা উমুক ব্যাক্তিটি একদম আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে, এবং আমার সাথে কথা বলছে। এখন ক্যারেক্টারটি যদি তার সামনে থাকা টেবিলে বসে পড়ে তবে আমার মনে হবে যে সে আমার সামনে থাকা টেবিলে বসে পড়লো। অর্থাৎ পরিবেশ নকল করে যদি আরেকটি পরিবেশ যেখানে আমি উপস্থিত হতে চাই সেখানে বানানো যায় তবে হলোপোর্টেশন এর মাধ্যমে আমি একই সময়ে দুই স্থানে উপস্থিত থাকতে পারবো।

ভেবে দেখুন, বড় বড় কনফারেন্স গুলোতে হলোপোর্টেশন ব্যবহার করে সেখানে উপস্থিত থাকলে কিরকম এক্সপেরিয়েন্স হবে! এর ফলে দুনিয়ার যে প্রান্তেই যেভাবেই আপনার মিটিংস বা কনফারেন্স হোক না কেন, আপনি সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন। এমনটা নয় যে, ব্যাস আপনার সামনে একটি থ্রিডি ইমেজ ভেসে উঠে, বরং আপনার সামনে অনেকটা আসল এবং একদম আসল ক্যারেক্টার ভেসে উঠে। তো মাইক্রোসফট আপনাকে একদম এক রিয়াল টাইম এক্সপেরিয়েন্স দিতে সক্ষম হয়েছে। যেহেতু, এই ফিচারটি এখনো পরিক্ষারত অবস্থায় আছে তাই এটি মাঝে মাঝে হয়তো ভালোভাবে কাজ করবে না। কিন্তু এটি একেবারে নিশ্চিত যে, সামনের দিনে এই ফিচারে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন এবং উন্নতি আনা সম্ভব হবে।

ইঞ্জিনিয়ারিং এ হলোপোর্টেশন এর ব্যবহার

হলো-লেন্স এর হলোপোর্টেশন ব্যবহার করে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কর্যক্রম করা হচ্ছে

এতক্ষণে আপনি হয়তো আন্দাজ করে ফেলেছেন যে এই ফিচারটি কীভাবে সময় এবং যোগাযোগ মাধ্যম পরিবর্তন করতে চলেছে। ভেবে দেখুন এই প্রযুক্তিকে যদি বৃহৎ আকারে উন্নতি করা হয়, তবে কি হবে? কোন ট্রেনিং সেশন হোক অথবা আপনি কোন জিনিসের ডেমো দেখাতে চাচ্ছেন অথবা মনে করুন কোন মেডিক্যালে কোন অপারেশন চলছে, তো সেই অপারেশন হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা ছাত্রদের লাইভ দেখানো সম্ভব হবে। এবং ছাত্রগণ সেখানে না থেকেই সেই লার্নিং এর সাথে সম্পর্ক যুক্ত হতে পারবে। ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির মতো শুধু এটা হয়না যে, ছাত্ররা একদিক থেকে লাইভ অপারেশন ফিল করছে। বরং তারা চারিদিকে ঘুরে ফিরে তাদের এক্সপেরিয়েন্স নিতে পারবে। তো আপনি ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন যে, মাইক্রোসফট আসলেই এক চমৎকার প্রযুক্তির আবিষ্কার করেছে। বন্ধুরা সামনের দিনে এই প্রযুক্তির অসিম ব্যবহার দেখতে পাওয়া যাবে এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। এর সম্ভাব্য কিছু ব্যবহার তো আমি এখানে আলোচনায় করলাম, আর বাকিটা তো আপনি কল্পনা করতেই পারছেন তাই না

শেষ কথা

আসলে নতুন নতুন টেকনোলজি সম্পর্কে জানতে কার না ভালো লাগে,তাই আমি যখন যে বিষয়ের ব্লগ পরি ভালো লাগলে সেটা আমি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করি আর আমি বিভিন্য ব্লগ পরে সহজ ও নির্ভুল ভাবে আপনাদের মাঝে সেটা তুলে ধরার চেষ্টা করি, আশা করি আপনাদের আমার পোষ্ট গুলো ভালো লাগে,তাই আমি যেমন, আপনাদের জানানোর চেষ্টা করি আপনারাও আপনাদের বন্ধু বান্ধবদের জানানোর জন্য বেশি বেশি শেয়ার করবেন আশা করি ।

0 Comments

Leave a reply

CONTACT US

We're not around right now. But you can send us an email and we'll get back to you, asap.

Sending
©2012 - 2020 Techwave.Asia All Rights Reserved.
or

Log in with your credentials

Forgot your details?